নদীর জলে

নদীর জলে গভীর তলে
লুকিয়ে থাকে
কাতলা বোয়াল।
চুনোপুটি ভাসছে জলে
পাবদা মাছ
গাইছে খেয়াল।
শোল বোয়ালে
খেলছে খেলা
আপন মনে
ট্যাংরা টাকি
সুর তুলেছে
গহীন বনে।

গুলশান। সেপ্টেম্বর ১৬, সন্ধ্যা বেলা।
ছড়ার বই।

দাদু ডাক শুনবো বলে

দাদুভাই বলে ডাকবে তুমি

বলবো আমি হাঁ ভাই হাঁ ভাই

তারপরে লাফ দিয়ে উঠবে পিঠে

বলবে আমায় চল ঘোড়া এবার চল

আর বলবো আমি শক্ত করে ধর দাদু

নইলে তুমি পড়লে খাদে কি হাল হবে বল।

দাদু ডাক শুনবো বলে বসে থাকি সকালবেলা

এদিক দেখি ওদিক দেখি ভোর থেকে ওই সন্ধ্যাবেলা

আলোমতি

আলোমতি ভালো মেয়ে

লাল মুখ ঝাল খেয়ে

আলো মতি ভালো থাকে

গায় গাণ কাজের ফাঁকে

আলো মতি আলো দেয়

সবাই তাই ভাল থাকে।

হুজুরের মুরীদ

মা কান্দে বাপ কান্দে সোদর ভাই

হুজুর কান্দে ঈদের মাঠে মশারী টাঙাই

সেই না দেখে সবাই কান্দে ভাসে ঈদের মাঠ

হুজুর চোখে নাইরে পানি শুকিয়ে সব কাঠ।

হুজুর চলে ভিন দেশতে সংগে হাজার মুরীদ

লাখে লাখে মুরীদ কান্দে নাইরে একটা সুহৃদ।

যুদ্ধে যাবে বৃদ্ধ ব্যাঙ

গ্যান্জার গ্যাং গ্যান্জার গ্যাঙ

গালুত গুলুত ব্যাঙের ঠ্যাঙ

যুদ্ধে যাবে বৃদ্ধ ব্যাঙ

বাদ্য বাজে গ্যান্জার গ্যাঙ।

ব্যাঙি কাঁদে ব্যাঙাচি কাঁদে

সবাই কাঁদে ঘরের ছাদে।

গ্যান্জার গ্যাঙ গ্যান্জার গ্যাঙ

গালুত গুলুত ব্যাঙের ঠ্যাঙ।

মার্চ ৪, ২০১১

বকরানি

এক যে আছে সোনার দেশ

কোন সে দেশ কোন সে দেশ

সোনার চেয়ে সোনা সে দেশ।

এক যে আছে মহারাণী

সবাই চিনি সবাই চিনি

বকর বকরানি রাণীর ভাষা জানি

বকতে না পারলে রানী

মুখে পুরে বাখর খানি

আহা মোদের বকরানি।

আইকুম বাইকুম

আইকুম বাইকুম বাঘের ছা

এবার তুই দিল্লী যা

আসছে পুষি দিল্লী থেকে

দেখলে তোকে বসবে বেঁকে।

আইকুম বাইকুম দেখে যা

বা্হরে বা বাহরে বা

নাচছে ঘরে ভুতের ঝি

পান্তা ভাতে মাখছে ঘি

দিল্লি থেকে আসছে মাসী

ভাল্লাগে তার ঢাকার খাসি

সীমান্তে ওই কান্দে চাষী

 গরু গেলো ধান ফুরোলো

দিল্লী বলো হিল্লি চলো

মুছে দেবো নকশা যতো

বুঝবে কেন অতোশতো।

  • দিনপন্জী

    • ডিসেম্বর 2018
      সোম বুধ বৃহ. শু. শনি রবি
      « নভে.    
       12
      3456789
      10111213141516
      17181920212223
      24252627282930
      31  
  • খোঁজ করুন