তোমার কথা রাখতে পারলাম না মা

মাগো তোমার কথা আমার
এখনও মনে আছে
এখনতো বেশী বেশী মনে পড়ছে
তুমি বলেছিলে
আমরা গরীব মানুষ
সোজা কথায় লোকে বলে প্রজা
রাজার বিরুদ্ধে কথা বলা
আমাদের সাজেনা
প্রজার কাজ রাজার বিরুদ্ধে
লড়াই করা নয়।
মাগো আজ তুমি নাই
তোমার কথা এক বিন্দুও ভুলিনি আমি
প্রজার কাজ
রাজার হুকুম তামিল করা।
মাগো তুমি বলেছিলে
বাপজান , পড়ালেখা করে বড় হ
দশজনে সম্মান করবে
সালাম দিবে
আমরা অনেক কষ্ট করে
তোমাকে পড়াচ্ছি
কখনও উল্টো পথে চলোনা
রাজার বিরুদ্ধে শুধু
রাজাই যেতে পারে
আমরাতো প্রজা
আমাদের ওসবে শোভা পায়না।
মাগো, তোমাদের কথা মনে রেখে
সারা জীবন চলেছি
শুধু নিজের কথা ভেবেছি
রাজার অত্যাচারে প্রজারা
আজ সবাই দিশেহারা
সবাই আজ মজলুম
চুপ করে থেকেও কি মা
কারো রেহাই আছে
চারিদিকে রাতদিন
পাইক পেয়াদা বরকন্দাজ
সিপাহী কোতোয়ালের বুটের
আওয়াজ শুনি
মাগো দুই হাজার তেরো সালের
রাজারতো এমন হওয়ার কথা ছিলনা
তোমাদের বা দাদার জামানা
রাজারা না হয়
ফেরাউনের বংশধর ছিলো
অজানা অচেনা ছিল
এখন রাজারাতো আমাদেরই লোক
আমাদেরই মানুষ।
তাহলে এমন জুলুম কেন মা
আমার বন্ধুর বাবা বললো
রাজা হলেই নাকি
মানুষ আর মানুষ থাকেনা
প্রতিদিন মানুষ মরছে
শহরে বন্দরে
গাঁও গেরামে
হাটে মাঠে
শুধু কান্নার রোল
বুক ফাটানো আহাজার আর মাতম
কত মায়ের বুক খালি
হয়ে গেছে
কত বউ বিধবা গেছে
গ্রাম গুলো উজাড় হয়ে যাচ্ছে
একাত্তুরের মতো কোন
সকল যুবকই আজ
গৃহহারা গ্রামছাড়া
মাগো, সিপাহী কোতোয়াল
সবাই বাংলায় কথা বল
সবাই কোরাসে গাণ ধরে
‘আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালবাসি’।
তাহলে এ কোন রাজা বা রাণী
এরা কোন কোতোয়াল বা সিপাহী
ওরা কাকে মারছে মা
শুনেছি ,বড়বুবুর ছেলেটা
সিপাহী হয়েছে
ওকি তাহলে ইস্ট কুটুমের
বুকে গুলি মারছে
এবার মাগো
খোদাইতো বলেছে
জালিমের বিরুদ্ধে জেহাদ করো
প্রতিবাদ করো
এটা মজলুমের হক
মজলুমের অধিকার।
মাগো, আমি তোমার কথা
রাখতে পারিনি
দু:খে বেদনায় আমার
বুক ভেংগে গেছে
আমি এখন জালেমের
জিঞ্জিরখানায় বন্দী
শুনছি জালেমের আদালতে
আমার ফাঁসী হবে
আমার অপরাধ
আমি এই কবিতাটি লিখেছি।
না মা পারলাম না
প্রজা হয়েও চুপ করে থাকতে
তুমি শুধু আমার জন্যে
দোয়া করো
আখেরাতে ভাল থাকি।

Advertisements

আমাদের দিকে আঙুল তুলবেন না

তুমিতো ভালই জানো দেশের অবস্থা
প্রিয়তমা আয়েশা
আমি কেমন আছি
এমন প্রশ্ন এ সময়ে আর করোনা
প্রাণের তাগিদে
জীবনের বিনিময়ে আমরা
স্বাধীনতা এনেছি
তুমিতো জানো কত লোক
জীবন দিয়েছে
কত ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে
ভাইয়ে ভাইয়ে খুনাখুনি করে
বাপদাদার চাঁদতারা পতাকা নামিয়েছি।
বড় সাধের লাল সবুজের পতাকা
আজ পুরোটাই লাল হয়ে গেছে
আমাদের শাসক স্বৈরাচার হয়ে গেছে
এখন কথায় কথায় গুলি চলে
সাধারণ মানুষের বুকে
পাইক পেয়াদা বরকন্দাজ
সব এখন মহাব্যস্ত
শাসকের গুনগাণে
ওরা কথায় বলে
আমরা আইনের গোলাম
চোর ডাকাত হার্মাদ
ভাল মানুষের ভিতর
আমরা কোন ফারাক করিনা
এরাইতো আমাদের নির্বাচিত নেতা
এরাইতো জনপ্রতিনিধি
দয়া করে আমাদের দোষ দিবেন না
আপনারাইতো নিষ্ঠুর হৃদয়হীন
শাসক নির্বাচিত করেন।
কোম্পানীরা দেশ দখল করে
শাসন শোষণের জন্যে
যে আইন বানিয়ছে
তার কিছুই বদলেনি
স্বাধীন লাল সবুজের দেশে
স্বাধীন দেশের স্বাধিন আইন
বানাবার দায়িত্ব আপনাদের
বিলাতী আইন দিয়েইতো
আপনারা দেশ চালান
আদালত চালান
প্রশাসন চালান
সংসদ চালান
এই আইনেইতো গণতন্ত্রের লেবাসে
নিষ্ঠুর শাসক তৈরি হয়
আপনারা আসল কাজ না করে
দেশের নিরী্হ সাধারন মানুষকে
বোকা বানাচ্ছেন
তেতাল্লিশ বছর ধরে
আর আঙুল তোলেন আমাদের দিকে
বরং বলুন আমরাই
দেশকে সবার চেয়ে বেশী ভালবাসি
আমরা দেশের আইন মানি
আমরা বিদ্রোহ করিনা
বিডিআর বিদ্রোহ কারা করিয়রছিল
সে কথা আমরা ভুলিনি
বিলাতী আইন দিয়ে
আর কতকাল ধোকা দিবেন
দেশের মানুষকে
পরাধীনতার আইন দিয়ে
নিষ্ঠুরতা হত্যা ফাঁসী ছাড়া
আর কি আশা করেন আপনারা
আইন যদি নিষ্ঠুর হয়
শাসক প্রশাসক চেলা চামুন্ডা
সবাই নিষ্ঠুর হবে।
আপনারা নিষ্ঠুরতার কি দেখেছেন
এই আইনের নামেইতো
একশ’নব্বই বছর
আপনাদের ফাঁসী দিয়েছে
গুলি করেছে
সম্পদ লুণ্ঠণ করেছে
এখনতো তারা আপনাদের
প্রিয়তম বন্ধু
দয়া করে আমাদের দিকে
আর কখনই আঙুল তুলবেন না
বিলাতী আইনের খোল নলচে
বদলে ফেলুন
মানুষের দেশ গড়ে তুলুন
নিষ্ঠুর আইনের কলোনী নয়।

আমাকে যেতেই হবে মিছিলে

এখন যে সময়
তাতে আমাদের ভালবাসা কিছুদিন
স্থগিত থাক আয়েশা
যখন দেখা হবে
বুক ভরা নিশ্বাস নিয়ে বলবো
আমি তোমায় ভালবাসি
আই লাভ ইউ
মাই ডিয়ার আয়েশা
চাঁদের কথা
জোছনার কথা
ফুল পাখি আর রূপালী মাছের কথা
ফিংগে আর মাছরাঙা পাখির কথা
মাঝির ভাটিয়ালী গাণের কথা
সোনালী ফসলের কথা
ঘোমটা পরা নতুন বধুর কথা
সব জমা রাখো তোমার বুকে
প্রিয়তম আয়েশা।
এখন শুধু আমাদের নিজেদের কথা
ভাবার সময় নয়
৭১ এ দেশ স্বাধীন করেছিলাম
আমরা চিরসুখী হবো বলো
জানিনা হঠাত্‍ কেন যে এমন হলো
এমন হবার কথাতো ছিলনা আয়েশা
তবুও কেন হলো
ভাল করে ভেবে দেখো।
আমার জীবনটাতো আবেগে আবেগেই
কেটে গেলো
বুদ্ধি খরচ কোন কিছুই করতে পারিনি
এ জীবনে
না পেরেছি তোমকে ভালবাসতে
না দেশকে
তাই আমি নেতা না হয়ে কবি হয়েছি
নেতারা নাকি মাথা দিয়ে চলে
তাদের নাকি অনেক বুদ্ধি
আমারতো শুধু হৃদয়টাই আছে
হৃদয় আমাকে দিয়ে
যা বলায় আমি তাই বলি
আমি তাই করি।
আমার ব্যর্থতার সীমা নাই জানি
জগত সংসারের অনেক কাজই
আমি করতে পারিনি
আমার ভালবাসা যে কত খাঁটি
তা তোমার চেয়ে
বেশী আর কে জানে বলো?
বুদ্ধি আর মাথার দরকার আছে
এ কথা আমি মানি
তা বলে এ জগতে
ভালবাসার কি কোন প্রয়োজন নেই
আমিতো জানি
ভালবাসা না থাকলে
জগত কিছুই হয়না
ভালবাসা না থাকলে
দেশ স্বাধীন হয়না
ভালবাসা না থাকলে
দেশ বড় হয়না
ভালবাসা থেকেইতো দেশের সৃষ্টি হয়
ভাল মানুষের জন্ম হয়
আজ এতো কলহ
এতো খুনোখুনি
এতো রক্তারক্তি
এতো প্রাণের বিনাশ
কেনো জানো আয়েশা
শুধু ভালবাসার জন্যে
কোথাও কোনো ভালবাসা নেই
আছে শুধু অহংকার
আছে জেদা জেদি
আছে শক্তি দেখাবার
অশ্লীল এক মনোভাব
রাস্ট্রটা যেনো কারা
বাপ দাদার মৌরসী পাট্টা
বন্ধকী সম্পত্তি
না আয়েশা
আমাকে যেতে দাও
আমি আবার মিছিলে যাবো
প্রয়োজনে আবার যুদ্ধ করবো
জগতের সকল স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে
লাল সবুজের পতাকা
আকাশে উড়বেই উড়বে
জগতের কারো ক্ষমতা নেই
এ পতাকা নামিয় ফেলে
কারো ক্ষমতা নেই
এ মাটিকে খাবলে খায়
প্রিয়তমা আমি এখন এ সময়ে
বয়সের কথা ভাববো না
আমাকে যেতেই হবে মিছিলে
শ্লোগান দিতেই হবে
বলতেই হবে
‘ এবারের সংগ্রাম দেশরক্ষার সংগ্রাম
এবারের সংগ্রাম দেশ বাঁচাবার সংগ্রাম’।

রাস্ট্র

রাস্ট্র / এরশাদ মজুমদার

হে রাস্ট্র, তোমাকেতো আমিই
সৃষ্টি করেছি
আমিইতো তোমার জন্যে
সব হারিয়েছি
আমি আজ বাস্তুহারা পিতৃমাতৃহীন
তোমাকে ঘর দেবো বলে
আমি ঘরহারা হয়েছি
আমিই তোমাকে হানাদার মুক্ত করেছি
এই দেখো আমার বাপদাদার কবর
সবাই জীবন দিয়েছে
কোম্পানীকে খেদাবে বলে
আজ তুমি আমারই মাথার
খুলি উড়িয়ে দিচ্ছো
আজ তুমি আমার প্রিয়তমার
ঘরে আগুন দিয়েছো
আমার সন্তানের গলায়
ফাঁসীর রজ্জু পরাচ্ছো
হে রাস্ট্র,আমি কি এজন্যেই
তোমাকে ঘরে এনেছি
সাত সাগরের পানি সেঁচে?
হে আমার পিতা
হে আমার স্রষ্টা
তুমিতো জীবনের দামে
আমাকে পেয়েছো
জাতীয় সংগীত পেয়েছো
জাতীয় পতাকা পেয়েছো
বিশ্ব দরবারে আসন পেতেছো
বিশ্ববাসী তোমায় স্বাধীন বলে
আর কি চাও তুমি?
আমি ছিলাম রাজা বাদশাহর
আমি ছিলাম স্বৈরশাসকের
আমি ছিলাম শক্তিমানের
আমি চিরকালই বীরভোগ্যা
এখন আমি গণতান্ত্রিক দানবের
তুমিতো একজন বা হাজার জন
অতি সাধারন মানুষ
হাজার বা লাখে আমার কিছু
আসে যায়না
আমি রাস্ট্র,আমার মর্যাদা শক্তিতে
তাইতো আমার অস্ত্রধারী
বাহিনী লাগে
হে পিতা, হে রাস্ট্র প্রতিষ্ঠাতারা
তোমরা আজ নি:স্ব
তোমরা সর্বহারা
তোমরা দূর্বল
শক্তিমানেরাই আমার স্বামী
আমি তাদেরই ভোগ্যা
তুমি এখন দূরে থাকো
শক্তিমান আর রাস্ট্র এখন
গোপন সংগমে রত আছে
এখানে এখন জনতা বা
পিতামাতার কোন স্থান নাই।

দেশপ্রেম এক ধরণের ক্যান্সার

দেশ প্রেম এক ধরণের ক্যান্সার / এরশাদ মজুমদার

তুমি শুনতে বা দেখতে পাচ্ছো কিনা
জানিনা মা
আমি বেঁচে আছি যেমনটি
রেখে গেছো তেমনটি
শুধু বদলেছে সময়
মাঝখানে অনেক গুলো বছর
পেরিয়ে গেছে। আমার মন ও বুদ্ধি
সেই কিশোরের মতোই আছে
আমি মানুষের কষ্ট দেখলেই
কেঁদে ফেলি
মানুষের সীমাহীন কষ্ট দেখে দেখে
আমি বয়সের পিলার গুলো
অতিক্রম করছি।
তোমরাতো মা
বণিকের পতাকাটা ফেলে দিয়ে
হাতে তুলে দিয়েছিলে চাঁদ তারা পতাকা
সেই পতাকা আমরা ফেলে দিয়েছি
হাতে নিয়েছি লাল সবুজের পতাকা
গাইছি ‘আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালবাসি।
না মা ,যে সুখের কথা ভেবছিলাম
তা আজও আসেনি
বাংলার হাজারো
মা বোন ভাই
নিয়মিত খাদ্য পায়না
অসুখের অষুধ পায়না
পরণের বস্ত্র পায়না
শিশুরা বইয়ের বদলে
হাতে হাতুড়ী নেয়।
এমনটা হওয়ার কথা ছিলনা
নেতারা বলেছিল
আমাদের আর কোন
দু:খ থাকবেনা
আমাদের সবকিছু হবে
না মা কিছুই হয়নি
হওয়ার কোন নমুনাও দেখছিনা
আদৌ হবে কিনা
তাও কেউ জানেনা
তেতাল্লিশ বছরে শত শত লোক
লাল সবুজের পতাকা বেচে
রাজা হয়ে গেছে
নেতারাও দিনরাত
সকাল বিকাল পতাকা বেচে খায়
তাদের বউ গুলোর শরীর
এখন মাখনের মতন তুলতুলে
ওদের সাথে থাকে গণি হাজারীর
কতিপয় আমলার স্ত্রী।
তুমি দেখতে বা শুনতে পাচ্ছো কিনা
জানিনা মা
এখন আমি রাস্ট্রের ভয়ে থাকি
যে রাস্ট্র বলে
দেশকে বেশী ভালবাসা
এক ধরণের ক্যান্সার রোগ
এর কোন চিকিত্‍সা নেই
এ ধরণের দেশ প্রেমিকরা কুষ্ঠরোগী
এদের জনগণ থেকে
আলাদা বিচ্ছিন্ন করে রাখতে হয়
মাগো,আমি আজই বিচ্ছিন্ন আছি
একাকী একলা
আমার আসে পাশে
কোথাও কেউ নেই
সারাক্ষণ শুধু তোমার
কথা মনে পড়ে মাগো।

রঙধনু

রঙধনু

তোমার চোখে আমি রঙধনু দেখেছি
সে রঙ মেখে আমিও এখন রঙিন
তোমার চোখে সাগর দেখেছি
সে সাগরে ডুব দিয়েছি
ডুবের ভিতরেই আছি আমি
তবুও যেন মনে হয় কুলের জলে নামি।
তোমার ঠোঁটে ঠোঁট রেখেছি
সেই ঠোঁটেতে করছে খেলা
সাত আসমানের মেঘের ভেলা
সেই ভেলাতে বসছে মেলা
এযে সেই রঙধনুরই খেলা।

লাশটাও দাফন হয়না

ভিজা ভিজা জোছনা
কুয়াশায় ঢেকে গেছে চারিদিক
চাঁদ হয়ত ঝিমিয়ে পড়েছে
অলস সময়ে।
আমিও একাকী একা ঘরে
কে যেন আলো আঁধারীতে
উ্ঁকি দিয়ে গেলো
জানালার ফাঁকে
জানি হয়ত কোন মানুষ
অচেনা বলে ঘরে আসেনি
দিনকাল ভাল নয় বলে।
শব্দ ও আওয়াজ শুনে
মনে হলো অচেনা সময়ের পথিক
কিছু বলতে চায়
আমি উঠে এগোতেই
ছায়াটা হাওয়ায় মিলিয়ে গেল
আর আমি কিছু শব্দ শুনলাম
এমন সময়ে কেমন করে
ঘরে বসে সময়গুলো
হাওয়ায় উড়াচ্ছো
তোমার কি কোন আক্কেল নেই
দেশটা পুড়ে যাচ্ছে
মানুষ মরে যাচ্ছে
হৃদয় মেলে দেখো
গণতন্ত্র কাকে বলে
আর গণতান্ত্রিক স্বৈরাচার
কাকে বলে।
তুমিতো নিজেকে
বড় দেশ প্রেমিক বলো
গণমানুষের কবি বলো
মানবতাবাদী বলো
এই বুঝি তার নমুনা
তুমি আসলে মিথ্যাবাদী ঠগবাজ
নিজের ঢোল পিটাতে ওস্তাদ
প্রয়োজনের সময়
নানা অজুহাতে
নানা বাহানায়
দেশ থেকে দূরে থাকো
এভাবে তুমি কখনই
বাঁচতে পারবেনা
এমন মানুষেরা ঘরের ভিতরেই
গুলি খেয়ে পড়ে থাকে
সময় খারাপ বলে
লাশটাও দাফন হয়না।