কত ক্ষমা চাইবো আমি

আমি জানি ক্ষমা করাই তোমার ধর্ম,এতেই তুমি আনন্দ পাও

আমি জানি অপরাধ করা আমার কপালে লিখা রয়েছে

তুমিই বলো তাহলে কেমন করে আমি শুধু ক্ষমা চেয়েই যাবো

না,আমি পারবোনা অমন বেহায়ার মতো প্রতিদিন ক্ষমা চাইতে।

যদিও তুমি করবে ক্ষমা তোমার প্রিয় এই বেহায়া গোলামকে

তুমিইতো সব জেনে শুনে দিয়েছো শরম এই গোলামের অন্তরে

ক্ষমা করা তোমার ফিত্‍রাত হলেও, কেন আমি চাইবো ক্ষমা

না চাইলেও ইচ্ছার বিরুদ্ধে যখন তখন অপরাধ করি আমি

এমন প্রবৃত্তি দিয়েছো তুমি আমায় যা শুধু অপরাধের দিকে ধেয়ে যায়

হাজার চেস্টা করেও পারিনা থামাতে তোমার দেয়া এই চরিত্রকে

বলো তুমি সারা জীবন কত ক্ষমা চাইবো আমি  দয়াবান তোমার কাছে।

 

Advertisements

হারিয়ে যাওয়া মন

মনটা আমার কোথায় যেতে চায় আমি নিজেও জানিনা

নিজের মনের খবর কেমন করে রাখবো বুঝতে পারিনা

মনের মানুস বলে যাদের ভাবি আমি তারাও কেমন অজানা

কে যে আপন আর কে যে পর বুঝতে পারেনা কেন এই মন।

ভেবেই সারা আমি , আমার মন কি আমায় ছাড়াই চলে

ভেবেই সারা আমি এই মন কি আর আমার আপন মন নয়

কোন মনে ঘুরে বেড়ায় আমার নিজের মন অন্য মন হয়ে

মন হারা এই আমি  কেমন করে বেঁচে আছি ভেবে পাইনা।

এই মন অন্য মন , কোন মনে ঘুরি ফিরি কেমন অজানা

আপন এই মনের খবর নিতে আমি কখন যে হারিয়ে গেছি

অন্য কারো মনে কেন যে হারিয়ে গেছি বুঝতে পারিনি আমি।

যেদিন হাত দুটি বিচ্ছিন্ন হবে

দুটো হাত এক ছিল, পথ ছিল একটি বহুদূর বিস্তৃত

অনেক কাল আর অনেক যুগ ধরে দুটো হাত চলেছে

এক হাত হয়ে একটি পথে, যে পথের কোন  সীমানা নেই

জগতটা এমনি করেই দুই হাতকে এক করে দেয়।

কোন হাত কখনই ভাবেনা কখনও তারা আলাদা

বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজের অজান্তেই ছিটকে পড়তে পারে

অদৃশ্য অজানা কোন ভাগ্যের হাত দুটো হাতকে

নিজের খেয়ালেই নিজের মতো করে আলাদা করে ফেলে।

আমি শুধু ভাবছি তুমিও একদিন সেই অদৃশ্য হাতের ইংগিতে

আমার হাত ছেড়ে দিয়ে বিচ্ছিন্ন হবে চিরদিনের মতো

বহুবার ভেবেছি এই হাতের কথা, ভেবেছি তোমায় প্রশ্ন করবো

জানতে চাইবো কেমন করে তুমি সাথী এই হাতটাকে ছেড়ে

চলে যাবে অজানা অচেনা আরেক নতুন পথে যা তোমারও নেই জানা।

আমি হাজার বার ভেবেও তোমায় কোন প্রশ্ন করতে পারিনি

আমি জানি, খুব ভাল করেই জানি তুমি খুব কস্ট পাবে অমন প্রশ্নে।

সোনার বাংলা মুক্ত হবে

হে প্রিয়তম মাতৃভূমি আমার সোনার বাংলা

আমি তোমার হতভাগা সন্তান বেঁচে আছি

না বাঁচার মতো করে মানসিক পরাধীনতায়

যেদিকে তাকাই সেদিকেই দেখি এ মায়ের অপমান।

কাকে বলবো মাগো, কোথায় পাবো  বীর সন্তান তোমার

বলবো যাকে তোমার অপমানের প্রতিশোধ নিতে

বলো মাগো, কেন আজ তোমার এমন মলিন দশা

কারা তারা যারা  তোমার মর্যাদাকে করছে পদ দলিত

আমরা  করছি ওয়াদা তোমার কাছে একাত্তুরের মতো

তুমি দাওগো মা সাহস শক্তি তোমার হতভাগা সন্তানের বুকে

দু’হাজার এগারোর হায়েনাকে আমরা করবোই করবো  নিশ্চিন্ন

এমন হায়েনার পরাজয় মাগো হবেই হবে, পারবেনা কেউ বাঁচাতে

চিরদিনের মতো সোনার বাংলা মুক্ত হবে  এগারোর হায়েনা থেকে।

তুমি আমি এক ঠিকানায়

তুমিতো আছো আমার চারিধার ঘিরে

যেদিকে তাকাই সেদিকেই তুমি

তুমিই বলো প্রিয়ের প্রিয়, তুমি ছাড়া  এ জগতে

কোথায় কে আছে আমার।

আমি যে তোমার সেকথা

তুমি ছাড়া ভাল আর কে জানে।

আমার শ্বাসে আছো

শ্বাসের বাইরেও আছো তুমি

তুমি অতলে থাক আর আকাশে থাক

তুমি সাগরে থাক আর পাহাড়ের চূড়ায় থাক

তুমি আতাশে থাক আর বাতাশে থাক

তুমি চোখে থাক আর চোখের বাইরে থাক

তুমি আমার রগে রগে থাক

তুমিইতো থাক রূহের গভীরে

সেজদার জায়নামাজে থাক

আমার ভিতরে তুমি কথা বল

তোমার বাতেনী জাহেরী সবকিছুইতো

আমার ভিতরে বাহিরে রাখো

তুমি ছাড়া আমি যে কোথাও নেই

সে কথা তুমিইতো সবচেয়ে ভাল জান হে প্রাণপ্রিয়।

আমার ইচ্ছায় থাকো তুমি

আমার অনিচ্ছাতেও তুমি

তোমাকে বাদ দিয়ে প্রিয় আমি যে কোথাও নেই

এমন ভালবাসা আর প্রেম প্রীতির মাঝেও

কেন আজ প্রশ্ন উঠে

কে বাদী আর কে আসামী

কে সাক্ষী আর কে আদালত

কেনইবা  বেহেশত আর দোজখের কথা আসে

সবকিছু মিশিয়ে দিয়ে প্রিয়

আমায় টেনে নাও তোমার

আকার নিরাকার ঠিকানায়।

২০শে ডিসেম্বর, ২০১১। সকাল ১১টা।

আগুনের ফুল ফুটিয়ে চলো

আগুনকে ভয় পেলে তুমি জ্বলে পুড়ে মরবে মরার আগেই

ভয়ে ভয়ে দিন যাবে আর আগুন দ্বিগুণ হয়ে জ্বলবে

যদি তুমি আগুনকে না  চেনো  যেমন তুমি চিনতে পারো

তোমার অতি আপনজনকে যারা তোমায় ভালবাসে।

মনে আগুন জ্বালো, জ্বালো আগুন জীবনের সকল সীমানায়

জীবন হোক আগুনময় সব কিছুকে জ্বালিয়ে দিতে যা অন্যায়

জীবনের সাথে ভাব করো, করো তাকে সবচেয়ে বেশী প্রিয়তম

যত আঁধার লুকিয়ে আছে জীবনের পরতে পরতে এখানে ওখানে

তবেইতো জীবন হবে আলোময় যেমনটি দেখেছো স্বপ্ন জীবনের আগে।

আগুনকে আপন করো, বন্ধু করো চির জনমের মতো, সাথী করে নাও

আগুনকে সাথী করে নাও তোমার চলার পথে আগামী দিনে

আগুনের ফুল ফুটিয়ে চলো পথে পথে সবার চলার পথে

মনে রেখো আগুন তোমার বন্ধু, কখনও শত্রু নয় কখনও কোথাও।

 

 

অংকের হিসাব ছেড়ে আসো

পাঁচ বা পাঁচ হাজারে কি হবে যদি না হৃদয় অনুগত না থাকে

শুধু ভয় দেখিয়েতো শিশুকেই বিরত রাখা যায়

জেনে শুনেই যে ভুল পথে চলে তাকে কি ফিরানো যায়

শুধু ভয়ের কথাআর আগুনে জ্বালাবার কথা বলে কি লাভ বলো।

যে হৃদয়ে ভালবাসা প্রেম প্রীতি নেই সে হৃদয় ছেড়ে দাও তার নিজের পথে

তুমিইতো বলেছো সকল হৃদয় সোজা সরল পথে আসার নয়

তবুও এত ডাকাডাকি কেন ভালবাসার মনোরম পথে

জোর করে কি লাভ বলো তাকে যে ভুলে গেছে ভালবাসার হৃদয়।

ছেড়ে দাও তাকে যে নিজের খায়েশের কাছে হয়েছে পরাজিত

ছেড়ে দাও তাকে যে নিজেকে  টেনে নেয়  আঁধারের পথে আলোর পথ ছেড়ে

পাঁচ আর পাঁচ হাজারের অংক ছেড়ে এবার আসো প্রেমের কথা বলি

যে প্রেমে তোমার  বিরান  ফুলের বাগান আবার ভালবাসায় ভরে যাবে।

 

  • দিনপন্জী

  • খোঁজ করুন