সবইতো দিয়েছো আমায়

সবইতো দিয়েছো তুমি না চাইতে

আর কতো দিবে তুমি এই কাঙাল হাতে

কেন তুমি মনে করো ভিখেরী আমায়

আর ভেবোনা আমাকে অমন অসহায়।

পুরো জগতটাইতো দিয়েছো আমায়

আর কিছুই চাইনা নেবো যে বিদায়

শুধু মুক্ত করো তোমার বিচার বন্ধন থেকে

কালের অনন্তে রহিবো ডুবে শুধু তোমায় দেখে।

গোলাম আর বান্দাহ যে নামেই ডাকো

আছিতো তোমার আমি  শুধু কাছে রাখো।

২৫শে এপ্রিল , ২০১১। রাত সাড়ে ১১টা

বন্ধুর জন্যে

বন্ধু আমায় বে ঘর করেছে

বেমোকাম বেরাহা আমি ঘুরি পথে পথে

তবুও বন্ধুর দেখা নেই।

আমায় মোকামের কথা বলে

বন্ধু থাকে লা মোকামে

আমি থাকি তার চোখের সামনে

সে থাকে চোখের আড়ালে।

শহর বন্দর লোক লোকালয়ে ঘুরি আমি

বন্ধু থাকে আপন হালে

আমায় বেহাল করে।

এপ্রিল ২০, ২০১১ সকালবেলা

বিকিয়ে দেবো এই আমায়

হাটে তুলে বেচবো  আমি আমার আমায়

সত্যি কথা  ফেলবো বেচে কে আমারে ঠেকায়

ঢোল বাজে মাদল বাজে নিলাম হবে মানুষ

দলে দলে চলছে সবাই নাইরে কারো হুঁশ।

কইরে তোরা দল বেঁধে আয় কিনবি যদি আমায়

আমিতো এক দাস ছিলাম পুরাণ জামানায়

আবার এবার দাস হবোরে দিন বদলের পালায়

জ্বলছি আমি দিন দুপুরে স্বাধীনতার জ্বালায়।

দিনও যাবে রাতও যাবে দিন বদলের তালে

নৌকোরা  সব  আকাশে উড়ে হাওয়া লেগেছে পালে।

১৭ এপ্রিল, ২০১১

বন্ধুর খোঁজে দুয়ারে দুয়ারে

বেঘর  লামোকাম বন্ধুর খোঁজে চলেছি আমি

শহরে শহরে ঘরে ঘরে খুঁজি তারে

কে জানো বন্ধু আমার সেই ঠিকানা

কোথায় আছে বন্ধু  আমার

বলো একবার, শুধু একবার

জান হাজির করবো আমি

হে  জগতবাসী।

আমিতো পাগলও নই মজনুও নই

তবুও কেন এত পাথর বৃস্টি চারিদিকে

আমিতো আমার বন্ধুর খোঁজে

আজ তোমাদের দুয়ারে দুয়ারে।

১৬ এপ্রিল, ২০১১, সন্ধ্যা পৌনে ছ’টা।

চলো যাই এক কাফনে

আমার  আমি ফেরারী হয়ে গেছে

আমায় ফেলে একলা

এই অজানা কুলে।

হে  ফেরারী, কোথায় চলেছো তুমি

আপন আপনকে ফেলে

আমিইতো  তোমার

কোন অজানা অনাপনের  খোঁজে

হয়েছো বিবাগী ঘরছাড়া।

কেন এতো বিরাগ তোমার

আমিইতো তোমার জনম সাথী

ফিরে আসো পুরাণো সাথীর কাছে

না হয় আমাকেও করো ফেরারী

চলো দুজনেই চলি অজানার

অচেনার ঘরে।

জনম ভর চলেছি দুজনে মিলে

আজ  যাবো চলে দুজনেই

একসাথে এক কাফনে।

১৬ এপ্রিল, ২০১১। সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা

স্বর্গ

সব খানেই স্বর্গ দেখি

কোথাও নাই নরক

সব খানেই স্বর্গ সুধা

আছে প্রাণের আরক।

বাহিরে স্বর্গ উপরে স্বর্গ

অতল গভীরে স্বর্গ

আকাশে বাতাসে স্বর্গের সুবাস

সবখানেই বসবাস।

বৈশাখ ২, ১৪১৮ সাল সকালবেলা

গোলাপী পিংক সিটি

তোমার রঙে রণ্জিত হবো

আর কোন রঙ নেই জানা

তোমার রঙেই জান্নাতী সুবাস

তাতেই হবো ফানা।

কি রঙ তোমার হয়নি জানা

তবুও খেলি রঙের খেলা

সময় আমার নাইযে আর

যায় যে সকল বেলা।

গোলাপ আমার প্রিয় ফুল

তোমার ঠোটের মতো

ওই ঠোটের মাঝে হারিয়ে যাবো

ভাবিনা অতশত।

তাইতো চলেছি গোলাপ নগর

করেছি খেলার ইতি

ওইতো এখানে চোখ মেলে দেখো

গোলাপী পিংক সিটি।

এপ্রিল ১১, ২০১১। পিংক সিটি বেড়াবার সময়

  • দিনপন্জী

  • খোঁজ করুন