তুমিই আমি

নৈকট্য আর দূরত্ব কি এবং কোথায়
এসব কিছু শব্দ ও ভাবনা
কোথাও এমন কিছুই নেই
কিসে থেকে দূরত্ব আর নৈকট্য
আমি আর তোমার মাঝে
তুমি কোথায়
যদি ভাবো তুমি দূরে
তাহলেই দূরে
যদি ভাবো অতি কাছে
তাহলেই কাছে
যদি ভাবো শূণ্য দুরত্ব
শূণ্যেরও একটা হিসাব আছে
তুমি আসলেই ভিতরে আছো
আসলে তুমি আমি বলে কিছু নেই
সবই এক
যা এক তাই একশ
আবার যা একশ তাই এক
এরকম হবেইতো
কেউ জানে না
কত হলে এক হয়
শূন্য আসলে কি
কোথাও কোন দূরত্ব
বা নৈকট্য নাই
তুমি আমাতেই আছো
আমি তোমাতেই আছি
আমিই তুমি
তুমিই আমি
তিনিই সে
সেই তিনি।

গুলশান । ২৮শে জুন ।সকাল বেলা ।

Advertisements

যেভাবে দেখেছি বংগবন্ধুকে ২

১৯৬১ সালের অক্টোবর মাসে আমি পাকিস্তান অবজারভারে চাকুরী নেই শিক্ষানবীশ ইকনমিক রিপোর্টার হিসাবে। পকেট ভাতা ছিল একশ টাকা। আমি বিজনেস পাতায় কাজ করি। ওই পাতার দায়িত্বে ছিলেন শামসুল হুদা সাহেব। তিনি খুব অমায়িক মানুষ ছিলেন। দেখতেও খুব সুন্দর ছিলেন। তিনি খুব আদর ও যত্ন সহকারে কাজ শিখাতেন।ফলে আমি অল্পদিনে কাজ বুঝতে পেরেছিলাম। আমি ছিলাম খুবই কম বয়সী। সবাই আমাকে আদর করতেন।

তোমাকে ভালবেসে

তোমাকে ভাবতে ভাবতে
আমি ভুলে গেছি
এ জগত সংসার
কতকাল ভাবছি জানি না
কেন ভাবছি জানি না
ভাবনা কে জাগায়
এ অন্তর আকাশে ।
কে আছে আমার তুমি ছাড়া
এখানে ওখানে সবখানে
তুমি কি আমার কথা ভাবো
তুমি কি জানো
কত ভালবাসি আমি তোমাকে
যারা বেশী ভালবাসে
তাদের মরণ হয়
সেতো তোমার বেশ জানা আছে
তুমিই কি মরণ লিখে রেখেছো
এসব কপালে ।
তাহলে এবার বলো
কোথায় নেবে আমায়
মরণের পরে
কি আছে আমার কপালে
সে লেখা আমাকে জানিয়ে দাও
একটু আগে যদি জানি আমি
কুদরতী খাতার কথা
আমি নীরবে মেনে নেবো
নিভৃতে পড়ে রবো
এক কোণে অজানা সংসারে
তোমারি কথা ভেবে ।

গুলশান । পঁচিশে জুন, বিকেল বেলা ।

যেভাবে দেখেছি বংগবন্ধুকে ২

ভালবাসি

আমি দুঃখিত যদি আমি
কখনও তোমাকে কষ্ট দিয়ে থাকি
আমি কখনই তোমাকে
কষ্ট দিতে চাই নি।
তুমিতো আমাকে বুঝতে চাওনি
আমি তোমাকে ঈশ্বরের মতো
ভালবাসি
তবুও কেন জানি
এমন হয়ে যায় ।
তুমি অনুপম
তোমার কোন উপমা নেই
তোমার কোন তুলনা নাই
বলতো দেখি
আমি কি কখনও
তোমাকে নিরাশ করেছি
না করিনি ।
তুমি কি জানো
সমস্যা কোথায়
তুমি কি কখনও ভেবেছো
তুমি মনে করো
তুমি বেশী ভালবাস
আর আমি মনে করি
জগতে আমার চেয়ে
বড় প্রেমিক আর কে আছে।
খোদার কসম
আমি এক ফোঁটা ও
অসত্য বলছি না ।

গুলশান । জুন ২৪, সকাল বেলা ।

প্রেমে পড়বো

কখনো প্রেমে পড়িনি
পড়লে কেমন হতো জানি না
ইচ্ছে হতো মনে পড়ে
মনে হতো
এতো পিছে পিছে ঘোরা
পোষাবেনা।
তার চেয়ে ভালো
বলেই ফেলি
তোকে আমি ভালবাসি
কিন্তু কেমন করে বলি
যদি বেহায়াপনা হয়ে যায়
আমি তখন কলেজ
তোলপাড় করা ছেলে
বলা যায় নেতা টাইপ।
সারা কলেজ
আমার হাতের মুঠোয়
স্যারদের সাথে ওঠাবসা
ম্যাগাজিন নাটক বিচিত্রা
সময় কোথায় একদন্ড
মনে হতো রাতে দিনে
একশ ঘন্টা হলে
ভালো হতো।
তাই ওকে বলা হয়নি
তোকে আমি ভালবাসি
আমিতো নেতা
প্রেমিক হলে চলে কি
একদিন বলেই ফেলি
কিরে তুই এতো
মুচকি হাসিস কেন?
ও আরো বেশি হাসতো
একদিন বললো
তুইতো আমাদের পাশেই থাকিস
আয় একদিন
কলেজ থেকে
ফেরার পথে একসাথে যাবো
একই রিকশায়
চল,আজই যাই।
পাগল হলি নাকি
একদিনেই সব
না পারবোনা
কাল কলেজে
ঢি ঢি পড়ে যাবে
আমি নিজেই বলবো একদিন ।

গুলশান । শুক্রবার । ২২ জুন বিকেল বেলা ।

মানুষ না পশু

জীবিত থাকলেই জীবনের হাজারো সমস্যা
জীবিত মানুষের একটা রাস্ট্র লাগে
পাসপোর্ট লাগে
এনআইডি লাগে
ঠিকানা লাগে
ঠিকানার ট্যাক্স লাগে
ভোটার নাম্বার লাগে
ট্যাক্সির কাগজ লাগে
সবই লাগবে শুধু জীবিত থাকলে।
রাস্ট্র বিচার করবে
রাস্ট্র না মানলে
খোদা বিচার করবে
খোদা না মানলে
মানুষ না রাস্ট্র খুশী
মানুষ না হলে খোদা নারাজ
জন্মাতে গেলেই প্রজনন লাগে
পিতা মাতা লাগে
পরিবার লাগে
সংসার লাগে
শুধু মানুষ হতে গেলেই।
পশুর কোন বিচার নাই
কোন আদালত নাই
রাস্ট্র নাই ভূগোল নাই
পতাকা নাই জাতীয় সংগীত নাই
রাজ্য নাই রাজা ও নাই
হে সংসদ আইন করে বলো
কে ভালো আছে
মানুষ না পশু ।

গুলশান । জুন ১৭ সকাল বেলা ।

  • দিনপন্জী

    • জুলাই 2018
      সোম বুধ বৃহ. শু. শনি রবি
      « জুন    
       1
      2345678
      9101112131415
      16171819202122
      23242526272829
      3031  
  • খোঁজ করুন